ld33 কেন তৈরি হলো — পেছনের চিন্তা
বাংলাদেশে মোবাইল ওয়ালেট দিয়ে কেনাকাটা করা যতটা সোজা, অনলাইনে গেম খেলতে গিয়ে টাকা জমা দেওয়াটা ততটা সোজা ছিল না। আমরা এই ফাঁকটা বুঝে ld33 বানিয়েছি। আমাদের পুরো কাঠামোটা ঘুরেছে একটাই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে — তুমি bKash, Nagad বা Rocket থেকে যেভাবে দোকানে পেমেন্ট করো, ঠিক সেভাবেই কি লবিতে ঢোকা সম্ভব? উত্তর হলো হ্যাঁ। তোমার ওয়ালেট অ্যাপ খোলো, আমাদের দেওয়া নম্বরে পাঠাও, PIN
দিয়ে কনফার্ম করো — ব্যস, ব্যালান্স চলে আসে। আমরা চেয়েছি পুরো যাত্রাটা — অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে Live Cash or Crash বা অটো রুলেট লাইভ-এ বসা — যেন একটানা হয়, মাঝে আটকে না যায়। চট্টগ্রামে বসে ফোনে লাঞ্চ ব্রেকে খেলো কিংবা রাতের সেশনে ডেস্কটপে — অভিজ্ঞতা একই রকম মসৃণ। আমাদের দল প্রতিদিন এই জার্নিটা পরীক্ষা করে, যেন কোনো ধাপে তুমি হোঁচট
না খাও। মূল লক্ষ্য সবসময় একটাই — তোমার পরিচিত পেমেন্ট রাস্তা ব্যবহার করে সবচেয়ে কম ধাপে লবিতে পৌঁছানো।
- bKash
- Nagad
- Rocket